বিশ্ব ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বড় প্রিমিয়ার লিগ হল আইপিএল। এতে রয়েছে বিপুল অর্থের লেনদেন, জমকালো আয়োজন, এবং নানা আকর্ষণীয় দিক। আইপিএলের নিলাম সবসময় ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে এক বড় ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়, যেখানে দলগুলো প্লেয়ার ধরে রাখার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে থাকে।
বিসিসিআই সম্প্রতি জানিয়েছিল যে, আইপিএলের রিটেনশন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আগস্টের শেষের দিকে জানানো হবে। আগস্ট পার হলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এ বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট ঘোষণা দেয়নি। তবে, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে আইপিএলের রিটেনশন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার সঙ্গে আইপিএলের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই।
আইপিএলের পরবর্তী আসর ২০২৫ সালে হবে। এর মেগা নিলাম চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। এই নিলামের আগে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি দলগুলো কতজন ক্রিকেটার ধরে রাখতে পারবে, যা মূলত বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিসিসিআইয়ের একাধিক কর্মকর্তার মতে, রিটেনশনের সিদ্ধান্ত জানাতে ১০ দিন থেকে দুই সপ্তাহ লাগতে পারে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে রিটেনশন করা ক্রিকেটারদের নাম ঘোষণার জন্য। ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মেগা নিলামে 'রাইট-টু-ম্যাচ' বিকল্প থাকবে, যা ইতিমধ্যে নিশ্চিত।
বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের কারণে চেন্নাই সুপার কিংসের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মহেন্দ্র সিং ধোনির ভাগ্যও ঝুলে আছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়া এই ক্রিকেটারকে 'আনক্যাপড' হিসেবে খেলানোর প্রস্তাব দিয়েছে চেন্নাই। তবে, এটি অন্য দলগুলোর মতামতের ওপর নির্ভর করছে।
চেন্নাই সুপার কিংস ছাড়াও কলকাতা নাইট রাইডার্সের একটি বিদেশি ক্রিকেটার, সুনীল নারিন, 'আনক্যাপড' ক্রিকেটার হিসেবে খেলানোর দাবি জানিয়েছে। মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুনীল নারিন, উভয়েই জাতীয় দলের হয়ে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় আগে খেলেছেন। আইপিএলের আগের নিয়ম অনুযায়ী, তাদের 'আনক্যাপড' হিসেবে খেলতে কোনো সমস্যা নেই। এখন দেখার বিষয়, আইপিএলে পুরোনো নিয়ম পুনর্বহাল করা হয় কিনা।

0 Comments