আগামী বিপিএল নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ক্রিকেট মহল। সাত দলের মধ্যে পাঁচটি দল—বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট ও খুলনা তাদের অংশগ্রহণ প্রায় নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার ও বিপিএলের সবচেয়ে সফল ফ্র্যাঞ্চাইজি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো রয়েছে অনিশ্চয়তা।
বিশেষ করে, কুমিল্লার স্বত্বাধিকারী নাফিসা কামাল বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় দলটি নতুন স্বত্বাধিকারী পাওয়ার চেষ্টা করছে বিসিবি। অন্যদিকে, ঢাকার ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে চলছে মেগাস্টার শাকিব খানের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির আলোচনা। অনেক সূত্রের মতে, শাকিবের নেতৃত্বে ঢাকায় খেলতে পারেন মেহেদী হাসান মিরাজ, এবং তিনি হতে পারেন দলের অধিনায়ক। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শিগগিরই আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্লেয়ার্স ড্রাফটের তারিখ ছিল ২৭ সেপ্টেম্বর, কিন্তু বেশ কিছু কারণে সেটি অনিশ্চিত। দলগুলোর কাছ থেকে নির্ধারিত অংশগ্রহণ ফি এবং ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে সাড়ে ৮ কোটি টাকা জমা দিতে বলা হয়েছিল ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে, তবে কেউই তা সময়মতো জমা দিতে পারেনি। দলগুলো সময় চেয়ে নিয়েছে, বিশেষ করে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে। বিসিবি চাচ্ছে, ১৫-২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ ফ্র্যাঞ্চাইজির ফি সংগ্রহ করতে।
প্রতি বছর বিপিএলে খেলোয়াড়দের বকেয়া পারিশ্রমিক নিয়ে জটিলতায় পড়তে হয় বিসিবিকে, ফলে এবার তারা ব্যাংক গ্যারান্টির বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে।
বিপিএলের ১১তম আসর শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ২৭ ডিসেম্বর। তবে আরব আমিরাত ও দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি লিগের কথা বিবেচনা করে, সূচি কয়েকদিন এগিয়ে বা পিছিয়ে যেতে পারে। এতে করে বিপিএলের শেষ চারে আরও বেশি তারকা বিদেশি ক্রিকেটার অংশ নিতে পারেন।
এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল পুনর্গঠনের পাশাপাশি ড্রাফটের আগে প্লেয়ার ধরে রাখার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে দ্রুতই স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়দের সরাসরি স্বাক্ষরের বিষয়ে নিয়মনীতি জানিয়ে দেওয়া হবে।
0 Comments